বুধবার,  ১৭ জানুয়ারি ২০১৮  | সময় লোডিং...
প্রকাশ : ১০ মে ২০১৬, ১৭:৩২:১৯

ঘুরে আসুন মহেড়া জমিদারবাড়ি

ভ্রমণ ডেস্ক
মহেড়া জমিদারবাড়ি সভ্যতা আর ঐতিহ্যের এক অমূল্য নিদর্শন। পুরোনো হাজার স্মৃতি, সুখ-দুঃখের কীর্তি লেপে আছে এই বাড়ির প্রতিটি পরতে। তবে জমিদারবাড়িকে নতুন করে রঙের প্রলেপ দিয়ে বানানো হয়েছে আরো সুন্দর। সঙ্গে আছে ছোট পার্ক, চিড়িয়াখানা, বোট রাইড আর পিকনিক স্পট।
 
টাঙ্গাইলের সদর  থেকে প্রায় ১৮ মাইল পূর্বে ও ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত মহেড়া জমিদারবাড়ি। ১৯৭১ সালের ১৪ মে বাংলাদেশে যুদ্ধের সময়ে পাকিস্তান বাহিনী মহেড়া জমিদারবাড়িতে হামলা করে। এ সময় তারা জমিদারবাড়ির কুলবধূ যোগমায়া রায় চৌধুরীসহ পাঁচজন গ্রামবাসীকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। ইতিহাস কলঙ্কিত সেই রক্তের দাগ এখনো লেগে আছে মহেড়া জমিদারবাড়িতে। এরপর নিয়োজিত জমিদার এদেশ ছেড়ে চলে যান ভারতে। পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা এখানে ক্যাম্প গঠন করেন।
 
মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে পরিত্যক্ত জমিদারবাড়িটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পুলিশ  ট্রেনিং স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
 
আট একরজুড়ে বিস্তৃত এই জমিদারবাড়ি। প্রধান ফটক দুটি। এ ছাড়া এই জমিদারবাড়িতে রয়েছে বিশাল তিনটি প্রধান ভবন। সঙ্গে রয়েছে কাছারিঘর, নায়েব সাহেবের ঘর, গোমস্তাদের ঘর, দীঘি আর তিনটি লজ।
 
চৌধুরী লজ- প্রথমেই এ ভবন চোখে পড়ে। এর ছাদের দেয়ালটি অপূর্ব কারুকার্যম-িত। সামনে রয়েছে বিশাল সবুজ মাঠ। একটি শহীদ মিনারও চোখে পড়ে, যা পরে সংযোজিত হয়েছে। রোমান ধাঁচে নির্মিত এই ভবন মিষ্টি গোলাপি রঙের।
 
আনন্দ লজ- সবচেয়ে আকর্ষণীয় এই ভবনের সামনে রয়েছে বিশাল বাগান আর সিংহদ্বার। বাগানে বাঘ, হরিণ আর বিভিন্ন পশু-পাখির মূর্তি রয়েছে। সেই আমলে জমিদাররা পশু-পাখি পুষতেন। সেই স্মৃতিতেই বুঝি মূর্তিগুলো বানানো।
 
মহারাজ লজ- সাদা ও নীলের কম্বিনেশনে এই লজ সর্ববৃহৎ স্থাপনা। এতে ১২টি কক্ষ রয়েছে।  আছে ঝুলন্ত বারান্দা, যা শুটিং স্পট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আরো আছে মহারাজ লজ, কালীচরণ লজ, রানী মহল। কালীচরণ লজের সামনেই ছিল পূজামণ্ডপ, যার সামনে বসে পূজা করতেন জমিদাররা।
এ সংক্রান্ত সকল খবর
এই পাতার আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ

প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Powered by orangebd.com

close