বুধবার,  ২০ জুন ২০১৮  | সময় লোডিং...
প্রকাশ : ২৮ জুন ২০১৬, ১১:১৬:০৬

নিষিদ্ধের পরও চলছে প্রাইভেট, কোচিং

শিক্ষা একটি সৃজনশীল প্রক্রিয়া হলেও অনেক শিক্ষক একে দুর্বোধ্য বলে চিহ্নিত করে প্রাইভেট, কোচিং এবং নোট ও গাইড বইয়ের ওপর নির্ভরশীলতা তৈরি করেছেন। শিক্ষার্থী-অভিভাবকরাও নোট-গাইডকে প্রধান অবলম্বন করে নিয়েছেন। ফলে সরকার নিষিদ্ধ করার পরও বাড়ছে নোট-গাইড বই বাণিজ্য। বাড়ছে প্রাইভেট-কোচিংয়ের তাগাদা।

সম্প্রতি নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাইভেট-কোচিং নিষিদ্ধ করার পরও থামেনি প্রাইভেট বা কোচিংয়ে পড়ানোর প্রবণতা। নোট-গাইড-প্রাইভেট-কোচিংয়ের চলমান তৎপরতা দেখে দুটি বিষয় মনে হয়। প্রথমত, সরকারি প্রজ্ঞাপনের ভাষা বোধগম্য নয়; দ্বিতীয়ত, শিক্ষকরা সরকারি আদেশ মানতে বাধ্য নন।

এ ছাড়া শিক্ষকরা যেমন প্রাইভেট অথবা কোচিংয়ে পড়ানোকে বাধ্যতামূলক করে নিয়েছেন, তেমনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা প্রাইভেট-কোচিংয়ে পড়াকে মর্যাদার বিষয় করে তুলেছেন।

সকালবেলা স্কুল-কলেজ ব্যাগ কাঁধে হন্তদন্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা ছুটছে কোনো প্রাইভেট টিউটরের বাসা কিংবা কোচিং সেন্টারের দিকে। এখনো খোলা হচ্ছে নতুন নতুন কোচিং সেন্টার এবং আত্মপ্রকাশ ঘটছে নতুন নতুন প্রাইভেট টিউটরের।

এই শিক্ষার্থীরা কী শিখছে? শিক্ষার নামে আদিখ্যেতা ও বাণিজ্য বন্ধে সরকারের পাশাপাশি শিক্ষক-অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের সচেতনতা ও সক্রিয়তা কামনা করছি।

লেখক: আশরাফুল ইসলাম রাসেল, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

এ সংক্রান্ত সকল খবর
এই পাতার আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ

প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Powered by orangebd.com

close