শুক্রবার,  ২২ জুন ২০১৮  | সময় লোডিং...
প্রকাশ : ৩০ জুন ২০১৬, ২২:৪২:৫২

ব্যাংকিং খাতে লুটপাট নিয়ে সরকারও চিন্তিত: অর্থমন্ত্রী

সাম্প্রতিক দেশকাল প্রতিবেদক
ব্যাংকিং খাতে 'লুটপাট' নিয়ে সরকারও খুবই চিন্তিত বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তবে তা যাতে আর না হয় সেজন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং হচ্ছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, 'প্রত্যেকটি ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং পরে মামলাও হচ্ছে।'
 
বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'বেসিক ব্যাংকের ক্ষেত্রে সবগুলো মামলা এখনো হয়নি। এই রিপোর্টটি দুদকের কাছে আছে। তবে যেসব লোকের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছে এবং তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাদের সকলেই দুদক মামলার আওতায় নিয়ে আসবে বলে আমি নিশ্চিত।'
 
বৃহস্পতিবার সংসদে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় কয়েকজন সংসদ সদস্য ব্যাংক খাতে দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুললে বললে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।
 
আলোচনায় জাতীয় পার্টির সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদ বলেছেন, 'ব্যাংকিং খাত হচ্ছে এখন লুটপাটের জায়গা। যে যত পারে লুটছে কিন্তু ফেরত দিতে হচ্ছে না। তারা লুটপাট করবে আর আমরা টাকা দেবো এটা তো হতে পারে না। সরকারকে বলব জনগণের কাছ থেকে না নিয়ে নিজেরা সংগ্রহ করে দেন।'
 
তিনি বলেন, 'দেশে এখন শুধু ব্যাংকের মাধ্যমে লুটপাট হচ্ছে। এখন জনগণের টাকা রাস্তাঘাটে ছিনতাই হয় না। পুলিশ এই ছিনতাই বন্ধ করেছে। সমস্ত ছিনতাইগুলো হচ্ছে ব্যাংকে।'
 
একই দলের আরেক সাংসদ নুরুল ইসলাম মিলন বলেন, 'ব্যাংকিং খাতে যে অব্যবস্থাপনা তাতে তাদের টাকা দেওয়ার কোন মানেই হয় না। এখানে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হচ্ছে।'
 
স্বতন্ত্র সাংসদ রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, 'আমাদের অর্থনীতি ব্যাংকিং খাতের ওপর নির্ভরশীল। সেই ব্যাংকিংখাতের বিশৃঙ্খলা নিয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা হয়েছে। কিন্তু শৃঙ্খলা ফিরে আসেনি।'
 
জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম তার বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের রির্জাভ চুরি, বেসিক ব্যাংকের লুটপাট, সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক কেলেঙ্কারি ও  ডেসটিনিসহ বিভিন্ন খাতে লুটপাটের ঘটনার বর্ণনা দেন।
এ সংক্রান্ত সকল খবর
এই পাতার আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ

প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Powered by orangebd.com

close