বুধবার,  ২০ জুন ২০১৮  | সময় লোডিং...
প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০১৬, ২১:২৬:৩৩

মায়া বীরবিক্রম আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজে ধীরগতি, ভোগান্তি

আরাফাত আল-আমিন, চাঁদপুর

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার শম্ভুখার ব্রিজ হতে ঠাকুরচর মোড় পর্যন্ত 'মায়া বীর বিক্রম আঞ্চলিক মহাসড়ক' এর কাজ চলছে ধীরগতিতে। এদিকে এ কাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি মাসের ৬ তারিখে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে মাত্র ৪ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কাজ পড়ে আছে অবহেলায় এবং চরম অব্যবস্থাপনায়।

২০১৫ সালের ৬ জুলাই এই প্রকল্পের ওয়ার্ক অর্ডার করা হয়। কাজের মেয়াদ ছিল এক বছর। যা ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে।

এর আগে এ সড়ক ছিল ১০ ফুট চওড়া। আরও ৬ ফুট বাড়িয়ে নির্মাণ হবে আঞ্চলিক এ মহাসড়ক। এর নামকরণ করা হয় 'মায়া বীরবিক্রম সড়ক'।

ঢাকা থেকে চাঁদপুর হয়ে নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর তথা দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর করার লক্ষ্যে এ মহাসড়কের নির্মাণ কাজ চলছে। এতে ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জ হয়ে চাঁদপুর এবং নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর যেতে বর্তমান সময়ের চেয়ে অর্ধেক সময় বেঁচে যাবে। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ঢিলেমির কারণে যথা সময়ে এ প্রকল্প শেষ হয়নি। কবে নাগাদ শেষ হবে তাও বলা যাচ্ছে না।

সাত কোটি নয় লাখ চারশ' ২৪ টাকার এ প্রকল্পের ঠিকাদারি কাজ পেয়েছে মেসার্স শহিদ ব্রাদার্স। যথা সময়ে শুরু হলেও কাজটি যথা সময়ে শেষ হয়নি। পুরো সড়কের মধ্যে প্রায় আট কিলোমিটারে চলাচল করা যাচ্ছে না। সড়কের এক পাশে লম্বা ড্রেন আর বড় বড় গর্তে ভরা। বিভিন্ন স্থানে জমা করে রাখা হয়েছে বালি, ইট, শুরকি, খোয়া। একটু বৃষ্টি হলেই পানি জমে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে যায়। গাড়ি চলাচল তো দূরহস্ত পায়ে হাঁটাই দায়। ফলে যাত্রী সাধারণের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. এনামুল হক বলেন, 'আমরা কাজের মান যাচাই করে কাজ বুঝে নিচ্ছি। যে চার কি.মি. কাজ সম্পন্ন হয়েছে তার মান ভালই হয়েছে। কিন্তু ঠিকাদার যথা সময়ে কাজ না করায় বাকি কাজ সম্পন্ন করা যাচ্ছে না। রোডস এন্ড হাইওয়ের এ প্রকল্পের মেয়াদ দেওয়া হয়েছে এক বছর।'

এ ব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মজিবুর রহমান বলেন, 'তারা (ঠিকাদার) প্লানিংয়ে ভুল করে ফেলেছে। পুরো সড়কের পিচ ঢালাই একসাথে করলে ভাল হতো। সেটা না করে ভাগে ভাগে কাজটা সম্পন্ন করতে চেয়েছে। এখন বাকি অংশের কাজ চলছে। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলে তারা সময়ের জন্য আবেদন করবে। কর্তৃপক্ষ চাইলে আবেদন গ্রহণ করবে। না হলে তাদের কিছু জরিমানা হবে।'

এ প্রকল্পের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা হওয়ায় এ ব্যাপারে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে আহসান হাবিব কানু নামের এক ব্যক্তি মুঠোফোনে বলেন, 'এ প্রকল্পের আমি একজন অংশীদার। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এ মহাসড়কের কাজ শেষ হবে।'

এ সংক্রান্ত সকল খবর
এই পাতার আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ

প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Powered by orangebd.com

close