সোমবার,  ২৩ এপ্রিল ২০১৮  | সময় লোডিং...
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০১৬, ১১:০৭:০৯

মাধ্যমিক শিক্ষার মান ও ব্যবস্থা নিয়ে কিছু কথা

আহমদ রফিক

বাংলাদেশে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার শেষ নেই। চলছে দীর্ঘদিন ধরে। শিক্ষক, সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী এ আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন, লিখছেন পত্রপত্রিকায় নিজস্ব মতামত প্রকাশ করে। এ প্রসঙ্গে দুটি ঘটনা উল্লেখ করব। গত মাসের শেষ দিকে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল ১৩ জন জিপিএ পাওয়া ছাত্রছাত্রীর প্রশ্নোত্তরমূলক বক্তব্যের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যা শুধু তাদের অভিভাবক বা শিক্ষকদেরই হতবাক করবে না, হতাশ করবে বৃহত্তর শিক্ষিতসমাজকে।

স্বভাবতই প্রশ্ন উঠবে শিক্ষার মান নিয়ে, শিক্ষকদের মেধা, যোগ্যতা ও শিক্ষাদান নিয়ে, উঠবে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার উপযোগিতা নিয়ে। এমনকি শিক্ষার উদ্দেশ্য নিয়েও। আর তা হলো সংক্ষেপে সহজ পথে উচ্চতম গ্রেডের সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে এমন ধারণা দেওয়া যে আমাদের শিক্ষা ও শিক্ষার্থীর মান অনেক উন্নত। বলার অপেক্ষা রাখে না যে তাতে করে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর উচ্চহার বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার পক্ষে সুনাম বয়ে আনবে।

কিন্তু ঘটনা যে বাস্তবিক এর বিপরীত, তা প্রমাণিত হয়েছে গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপক নেতিবাচক ফলাফলে। প্রশ্ন উঠেছে 'কী শেখাচ্ছে টিক চিহ্নের শিক্ষা পদ্ধতি'। কারো প্রশ্ন সৃজনশীল পদ্ধতির ব্যর্থতা নিয়ে। কারো ভাবনা 'মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন' নিয়ে। আবার কোনো অধ্যাপকের এমনতরো মন্তব্য 'আমাদের নানা নিরীক্ষায় গিনিপিগ হয়ে যাওয়া ওজনদার সার্টিফিকেট হাতে পাওয়া শিক্ষার্থীদের জগৎ অনেক সংকীর্ণ হয়ে গেছে।' এমনই 'অনেক প্রশ্ন' তুলেছেন দেশের নানা স্তরের শিক্ষাবিদরা।

তাদের নানা কৌণিক বিশ্লেষণে একটি সত্যই বিভিন্নজনের সিদ্ধান্তে প্রকাশ পেয়েছে, আর তা হলো অনেক অনেক 'জিপিএ ৫' শিক্ষার্থীর অভিনন্দিত উপস্থিতি সত্ত্বেও 'শিক্ষার মান বাড়েনি'। 'অভিনন্দিত' শব্দটি ব্যবহারের কারণ প্রতিবছরই পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর 'জিপিএ' পাওয়াদের অভিনন্দন জানানো শুরু হয় মহাসমারোহে। তাতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর পাঠে উদ্দীপনা বাড়ে, নাকি আত্মতৃপ্তির পিছুটান বড় হয়ে ওঠে তা নিয়ে অবশ্যই বিতর্ক চলতে পারে।

এ বিষয়ে কোনো কোনো শিক্ষকের ধারণা, শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি ও পরীক্ষা পদ্ধতির কারণে সহজে উচ্চমাত্রার নম্বর ও গ্রেড পাওয়া সুলভ হয়ে ওঠার ফলে জিপিএ প্রাপকের সংখ্যা কয়েক লাখে উন্নীত হয়েছে, তুলনায় শিক্ষার মান বাড়েনি। তাই বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকদের লেখায় হতাশার প্রকাশ দেখা যাচ্ছে। হতাশার কারণ, বিষয়টি নিয়ে এত লেখালেখি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠান সত্ত্বেও অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না এবং সত্যি বলতে কি কোনো কার্যকর ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে না। যা নেওয়া হচ্ছে তাতে সমস্যার সমাধান আরো জটিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

কোচিং, গাইড বই ও সৃজনশীল প্রশ্ন নিয়ে শিক্ষাবিদ কারো কারো আপত্তি আমলে আনা হচ্ছে না। পরীক্ষায় ভালো ফল ও প্রকৃত সুশিক্ষার তফাতটা শিক্ষা কর্তৃপক্ষের চেতনায় দাগ কাটছে না। তারা চাইছে জিপিএর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সে উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত পথে বৃহৎ প্রাপ্তির আশা। সে আশার আলো গাইড বই ও কোচিং। কিন্তু পাঠ্য বইনির্ভর বিষয়গত জ্ঞানার্জনের বিকল্প হিসেবে সংক্ষিপ্ত পথে উচ্চ গ্রেডের সংখ্যা বৃদ্ধিতে আর যাই হোক শিক্ষার মান বাড়বে না, বাড়তে পারে না।

অতীতের কিছু অভিজ্ঞতা, কিছু উদাহরণ তেমন ইঙ্গিতই দেয়। ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও অভিজ্ঞতা বলে আমাদের দু-এক প্রজন্ম আগেকার পূর্বসূরিদের এন্ট্রান্স (পরবর্তীকালের ম্যাট্রিক ও বর্তমান সময়ের নিম্ন-মাধ্যমিক) পাসের বিদ্যা ও জ্ঞান বর্তমান মাধ্যমিক পাস শিক্ষার্থীর চেয়ে বেশিই ছিল। এর বড় কারণ বিষয় বিন্যাস ও সুনির্বাচিত পাঠ্যপুস্তক বিশদ পাঠ, যা একাধিক বিষয়ে উচ্চমানের জ্ঞানার্জনে সহায়ক। এদিকটায় বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার অবহেলা বহু সমালোচিত। কিন্তু সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে না।

দুই.

বলা বাহুল্য, ঔপনিবেশিক আমলের শিক্ষাব্যবস্থা আদর্শ মানের ছিল না। কারণ ওই শিক্ষাব্যবস্থায় ছিল নানামাত্রিক সীমাবদ্ধতা, শাসকশ্রেণির বিশেষ উদ্দেশ্য সিদ্ধি ও স্বার্থপরতা। স্থানীয় শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষায় জ্ঞান-বিজ্ঞানে মননশীল হয়ে উঠুক, আলোকিত চেতনার হয়ে উঠুক এটা শাসকদের কাম্য ছিল না। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল রাজানুগত শিক্ষিত শ্রেণি, সীমিত উচ্চশিক্ষিত অনুরূপ শ্রেণি তৈরি করা। তা সত্ত্বেও মাধ্যমিক স্তরে বিষয় নির্বাচন ও পাঠ্য বইয়ের বিষয়গত মান হেলাফেলার উপায় নেই। এখানেই সে কালের সঙ্গে এ কালের পার্থক্য। আর পার্থক্য শিক্ষক ও শিক্ষাদানের মানে।

বস্তুত আত্মশাসনের মুক্ত পরিবেশে শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থীর জ্ঞান ও মেধার উচ্চতা ও বিস্তার প্রসারিত হওয়ার কথা কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি শিক্ষাবিষয়ক বিচক্ষণ দৃষ্টিভঙ্গির অভাবে। একটি কথা পুনরাবৃত্তি হলেও বলি, আমাদের ঝোঁক সংক্ষিপ্ত পথে কার্যোদ্ধার এবং তা যেমন রাজনীতিতে, তেমনি শিক্ষাব্যবস্থায়ও। এখানে আদর্শগত বড়সড় ত্রুটি কাজ করছে বলে আমি মনে করি। তাই শিক্ষার্থীদের মধ্যকার সম্ভাব্য মেধা ব্যাপকভাবে বিকশিত হয়ে উঠছে না প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটির কারণে এবং তা জিপিএ ৫-এই সীমাবদ্ধ থাকছে, যা জ্ঞানের বিচারে সোনার মতো দেখালেও আসলে ঝকঝকে করে মাজা পিতল। এর দায় শিক্ষার্থীর নয়। দায় শিক্ষাব্যবস্থার। দায় শিক্ষাদানের যোগ্যতায় ঘাটতি অর্থাৎ সুশিক্ষকের অভাব।

তিন.

কারণ বিবেচনায় শিক্ষার পাঠক্রম, পাঠ্যসূচি তথা এককথায় শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি, ঘাটতি বা অপূর্ণতার বিষয় যেমন উঠে আসে, তেমনি আসে শিক্ষার আদর্শিক দিকটি, যা অপেক্ষাকৃত কম আলোচিত। প্রশ্নটা এভাবেও করা যায়, জ্ঞানার্জন, না পরীক্ষায় ভালো ফল—কোনটা আমাদের শিক্ষাদানের লক্ষ্য? মেধার সার্বিক মননশীল প্রকাশ, নাকি জিপিএ ৫-এর ক্যারিয়ারপ্রত্যাশী সাফল্য আমাদের চোখে গুরুত্বপূর্ণ?

প্রসঙ্গত, রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাবিষয়ক আদর্শ ও শিক্ষার লক্ষ্য আলোচনায় আসতে পারে। রবীন্দ্রনাথ মুক্ত পরিবেশে মুক্তমনন ও মুক্তচিন্তার উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থায় বিশ্বাসী ছিলেন। পরীক্ষা পাস ও ডিগ্রি অর্জন তার শিক্ষাদর্শে মুখ্য বিষয় ছিল না। বহুমাত্রিক বিষয়গত জ্ঞান অর্জন ও স্বদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য জ্ঞানও তাঁর বিবেচনায় ছিল। স্বদেশি শিক্ষাকে তিনি বিশ্বমাপের সমান্তরাল করে তুলতে চেয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষায়তনে নির্ধারিত বিষয়সূচি ও পাঠক্রমের বিচার-ব্যাখ্যায় তেমনটিই মনে হয়। বিত্ত, বিষয়, ভোগাদর্শ সে ক্ষেত্রে গুরুত্ব পায়নি।

রবীন্দ্র-শিক্ষাদর্শের সীমাবদ্ধতা নিয়ে বহুবিধ আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সেদিক থেকে সরে এসেও সুনির্দিষ্ট শিক্ষাদর্শের বিষয়টির বিবেচনা এড়িয়ে চলা যায় না, যাওয়া উচিতও নয়। স্বভাবতই যেনতেন প্রকারে পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার বিপরীতে প্রকৃত জ্ঞানার্জন শিক্ষাদান ও শিক্ষা গ্রহণের মূল আদর্শ হওয়া উচিত। এ দুয়ের মিলন তো মহাপ্রাপ্তি হিসেবে বিবেচনার যোগ্য। শিক্ষার্থীর মেধার বহুমাত্রিক বিকাশ ঘটানোও শিক্ষাদর্শের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।

স্বদেশ ও জাতির ইতিহাস ও ঐতিহ্য, সমাজ ও সংস্কৃতির মৌলিক ধারণা অর্জন ব্যতীত শিক্ষা মৃত্তিকা-ঘনিষ্ঠ ও সম্পূর্ণ হতে পারে না। শিক্ষার্থীদের সার্বিক মেধার তুলনামূলক যাচাই বা বিচার পরীক্ষার মাধ্যমেই হওয়ার কথা। তবে সে পরীক্ষার রকমফের বিবেচ্য বিষয়। ওটা শিক্ষাবিদদের হাতে ছেড়ে দেওয়া উচিত।

স্বদেশের সমাজ-সংস্কৃতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ শিক্ষাদর্শ আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ভিত তৈরি করা দূরে থাক, স্বাধীন দেশে ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থার আদলে গঠিত হয়েছে শিক্ষার কার্যক্রম, পাঠ্যসূচি ইত্যাদি। স্বাধীন দেশের শিক্ষাব্যবস্থা স্বাধীনতার আদর্শগত ধারায়ই রচিত হওয়া উচিত। বাস্তবে তা হয়নি। গঠিত হয়েছে একের পর এক শিক্ষা কমিশন, কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি। পাঠ্য বিষয়ের পরিবর্তন, পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন ইত্যাদির মধ্যেই শিক্ষাব্যবস্থা ঘুরপাক খেয়েছে, এই যা।

বলা বাহুল্য, আমাদের এ আলোচনার মুখ্য বিষয় মাধ্যমিক শিক্ষার প্রকৃত মান নিয়ে, যা শিক্ষানুরাগী সুধীজনের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সংশ্লিষ্ট বিশিষ্টজনের লেখায় শিক্ষা সমস্যার কারণগুলো বিশদভাবে আলোচিত হয়েছে। বিশেষ করে কোচিং-বাণিজ্য, গাইড বই ও কারিকুলামের ত্রুটির কথা কম উল্লিখিত হয়নি। কোচিং বন্ধের আহ্বান জানিয়ে আমারও একাধিক লেখা এই দীর্ঘ সময়ে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়ছে। এত সব সত্ত্বেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো তত্পরতা দেখা যায়নি।

দ্বিতীয় ঘটনা হলো, দিনকয়েক আগে মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন সমস্যা নিয়ে অনুষ্ঠিত সেমিনারে উপস্থিত শিক্ষাবিদ ও সুধীজনের মন্তব্য ভিন্ন কিছু নয়। অর্থাৎ এত দিন ধরে এ বিষয়ে যা কিছু লেখালেখি হয়েছে তারই সংক্ষিপ্তসার ওসব মন্তব্যে উঠে এসেছে। যেমন-কোচিং ও গাইড বই বন্ধ করা, পাঠ্য বইয়ের মানোন্নয়ন এবং এর ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ানো, পরীক্ষার সংখ্যা কমানো ইত্যাদি। এ সম্পর্কিত আলোচনায় মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি বিভাগে শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠানের পরামর্শ দিয়েছেন এবং এসবের ফলাফল নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সমাধানের পথ অন্বেষার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর পরামর্শটি বিবেচনার দাবি রাখে।

এ প্রসঙ্গে আরো একটি বিষয় বহুল আলোচিত। আর তা হলো, যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ এবং শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা। কারণ শুধু পাঠ্যসূচি বদল করলেই শিক্ষার মান বাড়বে না। বাড়াতে হবে শিক্ষকদের যথার্থ শিক্ষাদানের যোগ্যতা ও ক্ষমতা। আরো একটি বিষয় হচ্ছে, দলীয় বিবেচনায় অযোগ্যদের নিয়োগ বন্ধ করা। দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবস্থা চলে আসছে। কেউ ভাবেননি এতে শিক্ষার মান কতটা নেমে যেতে পারে। একই ঘটনা দেখা গেছে চিকিৎসাঙ্গনেও।

শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবার মতো জাতীয় বিষয়গুলোয় জাতীয় স্বার্থে মেধা ও যোগ্যতাই প্রাথমিক বিচার্য বিষয় হওয়া উচিত। সুশিক্ষিত নতুন প্রজন্ম তৈরি করতে হলে, শিক্ষার মান বিশ্বমানের কাছাকাছি নিয়ে যেতে চাইলে অবশ্যই শিক্ষক নিয়োগে নিরপেক্ষ হতে হবে। এত আলোচনার পরও কেন কোচিং ও গাইড বই বন্ধ হলো না সেটাও তো সংগত প্রশ্ন। যথার্থ ব্যবস্থা নেওয়া যদি না-ই হয়, তাহলে কী লাভ বিশাল আয়োজনের সেমিনার করে?

এ প্রসঙ্গে আরো একটি কথা মনে রাখা দরকার। প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নত করা মাধ্যমিকে মানোন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। অথচ এ বিষয়ে বড় একটা মনোযোগ দেওয়া হয় না। প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল না ঘুচিয়ে শুধু মাধ্যমিক নিয়ে চিন্তায় যে সুফল দেখা যাবে না—এ কথা আমরা আগে একাধিকবার উল্লেখ করেছি। শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য দরকার সার্বিক ও সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ।

লেখক: কবি, গবেষক ও ভাষাসংগ্রামী।

এই পাতার আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ

প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Powered by orangebd.com

close